Bookmaker Bet365.com Bonus The best odds.

Full premium theme for CMS

আহা কী আনন্দ আকাশে বাতাসে...

Блогът Web EKM Blog очаквайте скоро..

স ম্পা দ কী য়

: স্লামুলাইকুম।
: ওয়ালাইকুম... আরে তুমি! কী খবর কেমন আছো?
: কেমন আর থাকবো বলেন। একে একে তো সবাই চলে যাচ্ছে। এত ঘন ঘন শহীদ মিনারে আসতে হচ্ছে যে, বেশ ভয় করে।
: হুম। আমাদেরও তো বয়স হয়ে গেল...
: এভাবে বলবেন না। তাতে ভয় আরও বেড়ে যাবে। মাঝে মাঝে যে আপনাদের সাথে একটু আধটু দেখা হয়, তাতো এই শহীদ মিনারেই। এটুকুও অন্তত হউক।
: তোমার ভয়ের কারণে কি সত্য বসে থাকবে? কেউ বিদায় না নিলে শহীদ মিনারেই-বা দেখা হবে কিভাবে? এরপর যখন শহীদ মিনারে আসবে, হয়তো আমার মৃতদেহেই ফুল দিতে আসবে।...  ইত্যাদি ইত্যাদি...

কে যেনো আমাকে জানান দিলো যে, শহীদ মিনারে কোনো এক প্রয়াতজনের অন্তিম-শ্রদ্ধাঞ্জলিতে এসে নাটকের প্রথিতযশা একজনের সাথে নাটকের বাইরের মধ্যবয়সী একজনার আলাপচারিতায় ছিল উপরের সংলাপগুলো।

আমি এ-ও জানতে পারলাম যে, আলাপচারিতার একপর্যায়ে প্রথিতযশা নাট্যব্যক্তিত্বের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, বাংলাদেশে মঞ্চনাট্যচর্চার যে ঐতিহাসিক বিপ্লব তারা স্বাধীনতার পর শুরু করেছিলেন, তার কোনো যোগ্য উত্তরসূরী রেখে যেতে পারছেন কিনা। নাট্যমহারথী নাকি প্রায় আক্ষেপ নিয়েই বলেছেন, এটা তাদের প্রজন্মের ব্যর্থতা যে তারা কোনো যোগ্য উত্তরসূরী রেখে যেতে পারছেন না।

তার মানে কথাটা দাঁড়াচ্ছে, বাংলাদেশের শহুরে নাট্যচর্চা তথা মঞ্চনাটকে যত উৎকর্ষ-সাধন, সৃজনশীলতার যত বিস্তৃতিসাধন- সবই করেছেন ঐ ‘নাট্য-মহাজনেরা’। এর আগে মঞ্চনাটকের কোনো ইতিহাস নেই, এরপরও, বলা যায় গত শতাব্দীর মধ্য-নব্বই’র পরও, স্বাধীন বাংলাদেশের শহুরে নাট্যচর্চার আর কোনো সৃজনশীল আলামত নেই। তাহলে যাদের জন্ম মুক্তিযুদ্ধের আবছা আবছা স্মৃতি নিয়ে, কৈশোরের ‘পঁচাত্তরের ভয়াবহতা’ যারা কিছুটা স্মরণ করতে পারে কী পারে না, যৌবন যাদের কেটেছে নাট্যচর্চায় অভিষেক আর স্বৈরাচার এরশাদের মুখোমুখি হয়ে, তারা কি বাংলাদেশের মঞ্চনাটকে ‘টুট টুট’ ছিঁড়েছে বা ছিঁড়ছে গত তিন দশক ধরে?

এ-কথা বেশ তুমুলভাবে চাউর আছে যে- ‘আগের মতো নাটক আর এখন হয় না’। কথাটা বেশি বলেন সেইসব নাট্যবোদ্ধারা, যারা দাওয়াত না পেলে নাটক দেখেন না (তার মানে প্রায় সব প্রথিতযশা নাট্যজনেরা, যারা ‘দাওয়াত’ না, ‘দর্শনীর’ বিনিময়ে নাটক দেখার অসাধারণ চল্ কিংবা প্রচলন অথবা রেওয়াজ শুরু করেছিলেন মঞ্চনাটকে), আর বলেন তাদের সমবয়সী সেই বন্ধু-নাট্যদর্শকেরা, যারা গত শতাব্দীতে ‘প্রচুর’ ‘ভালো নাটক’ দেখতে দেখতে নাটক দেখার তৃপ্তির-ঝুলি ‘কানায় কানায়’ পূর্ণ করে ফেলেছেন। আর বলে ‘অভাগা’ কতক স্বাধীনতাউত্তর প্রজন্মের মানব-মানবী, যারা অন্যান্য শিল্পমাধ্যমে, চারুকলা-সাহিত্য-সংগীত কিংবা চলচ্চিত্রে, একেকজন ‘জয়নুল-কামরুল-রবীন্দ্র-নজরুল-জীবনানন্দ কিংবা সত্যজিৎ-ঋত্বিক অথবা জহির রায়হান আর আলমগীর কবির’ হয়ে তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলে দেদারসে পথে পথে ঘুরে বেড়াচ্ছে। লেখার শুরুতে উল্লেখিত মধ্যবয়সী ‘একজনা’ নিশ্চিতভাবেই শেষোক্ত গোত্রের, তাতে কোনো সন্দেহ নেই।   

নাটকের বাইরের বেশ কতক সমবয়সী (উপরে উল্লেখিত শেষোক্ত গোত্রের) পরিচিতদের সাথে বিভিন্ন সময় আলাপ করে দেখেছি, তাদের বদ্ধমূল বিশ্বাস এখনকার থিয়েটারের মানুষজন পড়াশোনা করে না। কথাটার মধ্যে যতটা না সত্য আছে, তারচেয়ে বেশি আছে ঔদ্ধত্য, আছে অবিনয়। নিজেরা ‘এত বেশি’ পড়াশোনা করে যে, অন্যদের পড়াশোনা ‘না করাটা’ তারা সহজেই ধরে ফেলতে পারে। কিন্তু আদতে মূল কথা হচ্ছে, তারা বাংলাদেশের মঞ্চনাট্যচর্চার খবরাখবর রাখে না। যৎসামান্য যতটুকু খবর পায়, তা ঐ অগ্রজ নাট্যজনদের সাথে আলাপচারিতার বদৌলতে। ফলে তারা স্বাধীন বাংলাদেশের নাট্যচর্চা বলতে বোঝে গত শতাব্দীর সত্তর-আশি কিংবা বড়জোর মধ্য-নব্বই পর্যন্ত যতটুকু হয়েছে, ততটুকুই।

অগ্রজ নাট্যজনেরা তখন থেকেই (উল্লেখ করা আড়াই দশকের কথা বলছি) জোর গলায় বলে আসছেন, তাদের পর আর কেউ ‘কমিটমেন্ট’ নিয়ে নাট্যচর্চা করছে না। ফলে তারা তখন থেকেই শহুরে নাট্যচর্চার আশু মৃত্যুদৃশ্য দেখতে পাচ্ছিলেন।

কিন্তু তারপরের নাট্যচর্চার ইতিহাসের প্রকৃত স্বরূপটা আসলে কী? স্বাধীনতার পরের আড়াই দশকে নাট্যচর্চা যেভাবে চলছিল, বলা যায় তার পরের দুই দশকে সেই চর্চাটা একটা পরিণতি পেয়েছে। নাটকের মান, পরীক্ষা-নিরীক্ষা সব কিছুতেই গত দুই দশকের নাটক অনেক সমৃদ্ধ। এই সময়ে যেসব নাট্যকারের আবির্ভাব হয়েছে, যারা নির্দেশনা আর ডিজাইনকে একটা উচ্চতর মাত্রা দিয়েছে, যাদের অসাধারণ অভিনয় দক্ষতায় দর্শক মুগ্ধ হয়েছে, তারা প্রকৃতপক্ষে কারা? এখনও কোন কোন নাট্যদলের ৩-৪-৫ টি নাটক দাপটের সাথে নিয়মিত দর্শকের সামনে হাজির হচ্ছে? এখনও কোন কোন নাট্যদল বছর দুই বছরে একটি করে নতুন নাটক মঞ্চে নিয়ে আসছে? এমনকি এক বছরে একাধিক নতুন নাটক মঞ্চে আনছে কোন কোন নাট্যদল? প্রতি বছরই প্রায় নিয়মিত যেসব নাট্যোৎসব হয়, সেগুলো কারা আয়োজন করে? দেশের বাইরে বছরে এক বা একাধিকবার, একাধিক নাটক নিয়ে যেসব নাট্যদল নিজের খেয়ে বনের মোষ তাড়াতে যাচ্ছে তারা কারা? এখনও যে কয়টি নাটকের পঞ্চাশ আর একশো এমনকি দুই শতাধিক মঞ্চায়ন হচ্ছে, সেসব কোন কোন নাট্যদলের নাটক? এমন কী ‘একক অভিনীত’ নাটকেরও যে পঞ্চাশ আর শতাধিক মঞ্চায়ন হচ্ছে, অবাঙালি অভিনেত্রীও যে একক অভিনয় দিয়ে মধূসুদন-সুধা ছড়াচ্ছে, তারা কারা?- একটা স্বচ্ছ দৃষ্টি দিলেই দেখা যাবে এই ইতিবাচক নাট্যচর্চার কাপ্তানের ভূমিকা পালন করছে নতুন প্রজন্মের নাট্যপথিকরা, যারা হয় পুরনো দল থেকে বেরিয়ে এসে নাট্যচর্চা করছে অথবা নিজেরাই নতুন নাট্যদল তৈরি করেছে।

এক্ষণে প্রশ্ন তোলা যেতে পারে, থিয়েটারের নতুন নাট্যপথিকরা এত কিছু করছে বলে যদি দাবি করা হয়, তাহলে এখনও নাটক ও নাট্যচর্চা বলতে সাধারণের কাছে কেবল প্রথম আড়াই দশকই সামনে চলে আসে কেনো? এর সহজ উত্তর হচ্ছে প্রচার ও প্রপাগান্ডা। আমরা সবাই জানি- প্রচারই প্রসার। স্বাধীনতার পর যারা মঞ্চনাট্যচর্চা শুরু করেছিলেন, তাতে শিল্পের এক নতুন চর্চার দিক-উন্মোচিত হয়েছিল। প্রায় অচর্চিত বা গণ্ডিবদ্ধ চর্চার বাইরে এনে মঞ্চনাটককে নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে দর্শকের সামনে হাজির করা হয়েছিল। পাশে এসে দাঁড়িয়েছিল প্রচার-মাধ্যম। প্রায় প্রত্যেকটি মঞ্চনাটকের বিশদ নাট্যসমালোচনা প্রকাশ পেতো সংবাদ পত্রিকাগুলোতে। যারা মঞ্চনাটকের সাথে যুক্ত হয়েছিলেন, তাদের সামাজিক মর্যাদা বেড়েছিল। তাদের প্রায় প্রত্যেকেই প্রতিষ্ঠিত পেশার বাইরে, নেশা হিসেবে নাটককে জীবনের সাথে মিলিয়েছিল। এখন হয়েছে উল্টো। মঞ্চ-নেশায় ডুবে থাকা নাট্য-পাগলারা ছোটখাটো কোনো পেশার সন্ধানও পাচ্ছে না ঠিক মতো। তাদের কাজের প্রচার হবে কিভাবে!

তখনকার আর এখনকার নাটকের তুলনামূলক আলোচনা করতে গেলে এখনকার নাটক সম্পর্কে সঠিকভাবে জানতে হবে। সেই জানাটাতে বেশ খামতি আছে। কোনো কিছুকে জানাতে হলে প্রচার প্রয়োজন। সেই প্রচারে অনেক প্রতিবন্ধকতা আছে। বংশের বড় পোলা বি.এসসি পাশ করলে আশপাশের সাত গ্রামের মানুষের মুখে প্রশংসার খই ফুটতে থাকে। কিন্তু ছোট পোলা আমেরিকা থেকে পি.এইচডি করে আসলেও কারো কানে তা পৌঁছায় না।

অগ্রজ নাট্যজনদের বন্ধু-বান্ধবরা এখন সামাজিকভাবে সর্ব কর্তৃত্বময়। তাদের বন্ধুরাই মন্ত্রী-মিনিস্টার, তাদের বন্ধুরাই কর্পোরেট রাজ্যের অধিপতি। বহুল-প্রচারিত পত্রিকার সম্পাদক আর মালিকরা তাদেরই বন্ধুসকল। সুতরাং যেখানেই যাই, প্রথমে শুনতে হয় স্মৃতিচারণ। ‘আগে যে মঞ্চনাটক হতো, এখন কি সেরকম করা সম্ভব!’... ‘ইয়ের একটা নাটক দেখেছিলাম, কী যে অভিনয়! আর ইয়েতো আমার মনে হয় মঞ্চে দাঁড়িয়ে থাকলেই হয়, আর কিছু লাগে নাকি?’... ‘জানোতো ইয়ে আর আমি কিন্তু ক্লাসমেট ছিলাম। দুদিন আগেও কথা হলো, একটা প্রজেক্টের ব্যাপারে আমার হেল্প চাইলো। আচ্ছা বলোতো ওর মতো নাট্য-কিংবদন্তীকে হেল্প করবো নাতো কাকে করবো।’... ‘ইয়ের অভিনয় তোমরা বোধহয় দেখোনি, তোমরা তো তখন ছোট, দেখবা ক্যামনে?’... ‘আমি তখন প্রায়ই নাটক দেখতাম, ইয়েতো একদিন গাড়ি পাঠিয়ে দিলো- দোস্ত ভাবীসহ নাটক দেখতে আয়। ছোটবেলা থেকেই আমি সংস্কৃতিমনা, কিন্তু তোমার ভাবী সেটা মানতো না। তো ইয়ে যে আমার বন্ধু এই পরিচয়টা তোমার ভাবী যখন দেখতে পেলো, তখন তো হা হা হা... মানে কী বলবো... হা হা হা... খুক খুক খুক...’। ব্যস, ছোটখাটো একটা বিজ্ঞাপন যা-ও পাওয়ার সম্ভাবনা ছিল, তার হাসি-কাশির ঠ্যালায় আর খুশির জোয়ারে তা-ও ভেসে গেল। তারপরও দমে যাই না আমরা। যদিও তাতেও কোনো কাজ হয় না। বহুল প্রচারিত পত্রিকার বিভাগীয় সম্পাদকের সাথে খাতির জমিয়ে হয়তো বিনোদন পাতায় একটা খবর ছাপানোর ব্যবস্থা করে রাতে বাড়ি ফিরি। পরদিন আনন্দ নিয়ে পত্রিকার পাতা খুলে দেখি আমাদের খবরটি বেদখল হয়ে গেছে। কারণ আমাদেরই অগ্রজ নাট্যমহাজন যে ১০০ ডিগ্রী জ্বরে ‘অসহনীয় যন্ত্রণা’ নিয়ে স্কয়ার বা ইউনাইটেড হাসপাতালে তিন সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ডের আন্ডারে আছেন, সেটি দেশবাসীকে না জানালে যে মঞ্চনাটকের ক্ষতি হয়ে যাবে। আমরা খাতির করি বিভাগীয় সম্পাদকের সাথে, তাদের বন্ধু যে পুরো পত্রিকারই সম্পাদক-কাম মালিক এতদূর বোঝার ক্ষমতা কি এই প্রজন্মের নাট্যকর্মীদের আছে নাকি! মোল্লার দৌড় তো মসজিদ পর্যন্তই হবে- তাই না?

সুতরাং এটা মেনে নিতে হবে যে, ‘ভালো কাজ’- প্রচারের অভাবে বা অপপ্রচারের খপ্পরে পড়ে বিলীন হয়ে যেতে পারে। প্রায় ৮ বছর পর এবার আমাদের বন্ধু নাট্যকারকে বাংলা একাডেমি পুরস্কার দেয়া হলো। যেসব নাটকের জন্য সে এই পুরস্কার পাওয়ার অধিকার রাখে, সেগুলো অন্তত ১৫/১৬ বছর আগের লেখা এবং মঞ্চায়িত। তখন তাকে এই পুরস্কার দিলে বর্তমান সময় পর্যন্ত হয়তো আরও অনেক নাট্যকার (অবশ্যই বর্তমান সময়ের) এই সম্মানে সম্মানিত হতে পারতো। কিন্তু তা হয় নি। কেননা, ওখানেও যত প্রভাব তা অগ্রজ ‘আলোকিত মঞ্চ-নায়ক’দেরই। তারা নাকি মিটিং শেষে কমেন্ট লেখেন- ‘নাটকে যোগ্য কেউ না থাকায় এ বছর কাউকে পুরস্কার দেয়া গেলো না’।

অগ্রজরা যখনই আমাদের সাথে কথা বলেন তখন বেশ অমায়িক মনে হয় তাদের। সহযোগী মনোভাব দেখতে পাই স্পষ্ট। কিন্তু তারাই যখন অন্য মাধ্যমের বা অন্য কারো সাথে কথা বলেন, তখন খামাখাই একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলেন এবং মঞ্চনাটকের বেহাল দশার কথা বলতে থাকেন। তারা যেনো চান যে, এদেশে মঞ্চনাটকের নিয়মিত চর্চা যেমন তাদের হাত দিয়ে শুরু হয়েছিল, আবার তাদের জীবদ্দশাতেই যেনো এর পতন ঘটে। তাতে সুখের সুখ হচ্ছে, ‘আমরা করেছি কিন্তু ওরা ধরে রাখতে পারলো না’। এটা এক ধরনের হীনমন্যতা। এই হীনমন্যতার কারণেই বক্ষমান লেখার শুরুর সংলাপটি উচ্চারিত হয়েছিল, যেখানে ‘কোনো যোগ্য উত্তরসূরী’ রেখে যেতে পারছেন না বলে প্রবীণ নাট্যমহারথী আফসোস করেছেন। কিন্তু সত্য এই যে, শত প্রতিকূলতার মধ্য দিয়েও তাদের অজান্তেই আরেকটি সমৃদ্ধ প্রজন্ম মঞ্চনাটকে দাঁড়িয়ে গেছে।

এই সমৃদ্ধ প্রজন্মের কাজের ব্যাপারে জানতে হলে পত্রিকার পাতা, মন্ত্রী-কর্পোরেট লিজেন্ডদের স্মৃতিচারণ কিংবা অগ্রজ নাট্যজনদের উন্নাসিক কথা-বার্তাকে আমলে নিলে চলবে না। এসব জানার জন্য মঞ্চে আসতে হবে, মঞ্চনাটক দেখতে হবে। আমাদের মঞ্চের উঠোনে আসলে দেখা যাবে এখনও মঞ্চে আনন্দ আছে, চঞ্চলতা আছে, ত্যাগের মহিমা আছে। এখানে আসলে এখনও মনের ভেতরটা গুণগুণ করে উঠবে- আহা কী আনন্দ আকাশে বাতাসে...

ইতি
হাসান শাহরিয়ার
মোহাম্মদপুর।
এপ্রিল, ২০১৬