Bookmaker Bet365.com Bonus The best odds.

Full premium theme for CMS

অন্য চোখে আলাপন।। প্রসঙ্গ আলাপন

Written by মফিদুল হক.

Блогът Web EKM Blog очаквайте скоро..

সাত বছর থেকে প্রকাশিত হচ্ছে ত্রৈমাসিক ‘থিয়েটারওয়ালা’, নাটকের কথা ফেরি করে বেড়ানোই যেন তার কাজ, আর বাংলাদেশে এমন কাজ যে কতো দুরূহ সেটা সংশ্লিষ্টজনেরা ভালোভাবেই বোঝেন। এ-কেবল পত্রিকা প্রকাশ, বিপণন ও বাণিজ্যের সমস্যা নয়, পত্রিকার জন্য নিয়মিতভাবে লেখা সংগ্রহও একটা বড় সমস্যা। এই সমস্যা মোকাবিলায় ‘থিয়েটারওয়ালা’ একটি পদ্ধতি বেছে নিয়েছে যা হচ্ছে দীর্ঘ সাক্ষাৎকার, হয়তো একাদিক্রমে কয়েক দিন বিস্তৃত হয় তা এবং একত্রে তার উপস্থাপন ঘটে কোনো এক সংখ্যায়। স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের নাট্যচর্চার কয়েকজন প্রধান ব্যক্তিত্বের এমনি সাক্ষাৎকার ‘থিয়েটারওয়ালা’ প্রকাশ করেছে। বোধ করি এই সাক্ষাৎকারে বৈচিত্র্যময় বিষয়ে আলোকপাতের সম্ভাবনা দেখে ‘থিয়েটারওয়ালা’ হল ভাড়া নিয়ে ‘দর্শকের মুখোমুখি কলাকুশলী’- পর্যায়ে এক গোষ্ঠী-আলোচনারও পত্তন ঘটিয়েছে, বাংলাদেশে যেটা এক অভিনব ঘটনা। নাট্যবিষয়ক লিখিত ভাবনার অভাব ঘোচাতে আলাপনের এমনি বিকল্প পদ্ধতির সবলতা-দুর্বলতা দুই রয়েছে, সেসব চুলচেরাভাবে বিশ্লেষণ করা আরেক শ্রমসাধ্য কাজ। আমরা বরং মুখোমুখি আলাপনের সূত্র ধরে উঠে আসা বক্তব্য অবলম্বন করে কিছু কথা বলার চেষ্টা নিতে পারি। গোষ্ঠীগত যে আলোচনার ভাষ্য পত্রস্থ হয়েছে পত্রিকায় আপাতত সেসব আমাদের বিবেচনার বাইরে রেখে ছয় নাট্যপথিকৃতের বক্তব্যের ওপর আলোকপাত করা যেতে পারে। ‘থিয়েটারওয়ালা’র জুলাই-সেপ্টেম্বর এবং অক্টোবর-ডিসেম্বর ২০০৫ সংখ্যায় আলাপনে অংশ নেয়া এই ছয় ব্যক্তিত্ব হলেন সাঈদ আহমদ, রামেন্দু মজুমদার, আতাউর রহমান, আলী যাকের, মামুনুর রশীদ এবং নাসির উদ্দিন ইউসুফ।

সম্প্রতি আলাপনের ধারাটি ইলেকট্রোনিক মিডিয়াতে বেশ জোরদার হয়ে উঠেছে। বিবিসির হার্ডটক নামীয় শো-র অনুসরণে এক বাংলা চ্যানেল তো এর রূপান্তরই করে ফেললো ‘কড়া আলাপ’ নামে। অনুবাদ কতোটা সার্থক হয়েছে সেটা যেমন প্রশ্ন সাপেক্ষ তেমনি ইলেকট্রোনিক মিডিয়ার আদলটি প্রিন্ট মিডিয়ায় কতোটা প্রযোজ্য হতে পারে সেটাও প্রশ্ন রাখে। আরো একটি দিক হলো এমনি আলাপের জন্য যথাযথ প্রস্তুতি গ্রহণের সমস্যা। ইলেকট্রোনিক মিডিয়ায় তাক্ষৎণিক আলাপে সম্পাদনার কোনো সুযোগ নেই, পূর্ব-প্রস্তুতি যাই থাকুক না কেন ক্যামেরা চালু হয়ে যাওয়ার পর প্রশ্নকর্তার ফিরে নতুন করে প্রসঙ্গে প্রত্যাবর্তনের সুযোগ নেই, বক্তব্য শোনার অনেকটা পরে যদি নতুন কোনো জিজ্ঞাসা জাগে তবে পুরনো প্রশ্ন পাল্টে নেয়ারও সুযোগ থকে না। ‘থিয়েটারওয়ালা’র আলাপনে ইলেকট্রোনিক মিডিয়ার সেই ধাঁচটি অবলম্বন করা হয়েছে। এতে করে অসুবিধার দিকগুলো কী হতে পারে সেটা সাঈদ আহমদের সঙ্গে কথোপকথনের ফিরিস্তি থেকে প্রকাশ পেয়েছে।

সাঈদ আহমদ প্রবল আড্ডাবাজ মানুষ, তাঁর কথোপকথনে ঢাকার কথ্যবুলির একটি পরিশীলিত ভাষ্য প্রকাশ পায় যার তুলনা বিশেষ নেই, এই রসমণ্ডিত কথ্যরূপ কিছুটা খুঁজে পাওয়া যাবে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ তনয় তকীয়ুল্লাহ কিংবা তথ্যচিত্রনির্মাতা বজলে হোসেনের আলাপচারিতায়, তবে বুলিবাগিশতার এমনি বিদ্যালয়ের অবিসংবাদিত মাস্টার হলেন সাঈদ আহমদ। কিন্তু আড্ডায় যে-কথাগুলো সজীব হয়ে দেখা দেয় পরিবেশ-পরিস্থিতির কারণে ছাপার হরফে তা সেই প্রাণস্ফূর্তি অর্জন করে না। এর কারণ দুটি দুই শিল্পরূপ, তাদের দাবি-দাওয়া আলাদা, ফলে উজ্জ্বল এক রূপ অন্য আধারে হয়ে উঠতে পারে একান্ত নিষ্প্রভ। বর্তমান আলাপনের লিখিত রূপের ক্ষেত্রে সেটাই ঘটেছে। আরো যে সমস্যা তৈরি হয়েছে তা সাঈদ আহমদ নিজেই যোগান দিয়েছেন, তিনি কিছু কথা বলেছেন লোকস্মৃতি থেকে; কিছু আত্মস্মৃতি থেকে। কিন্তু আড্ডাবাজ মানুষ হিসেবে তিনি এমনভাবে বলেছেন যেন সবটাই তাঁর চোখের সামনে ঘটেছে। তিনি যখন লায়ন থিয়েটারের কথা বলেন, সেসব তাঁর জন্মের আগের ঘটনা; কিন্তু বলেন এমনভাবে যে তা বোঝবার জো থাকে না। যেমন মিউজিক কম্পোজারের ভূমিকা সম্পর্কে শফি আহমেদের প্রশ্নের জের ধরে তিনি বলেন, “মিউজিকের দল পার্মানেন্ট থাকতো।... চুক্তিভিত্তিতে মিউজিক দল আনা হতো। রাধাচরণ ভট্টাচার্যের দলকে ১৯২৮ সালে মাসিক ৯০ টাকা বেতনে আনা হয়েছিল এক বছরের চুক্তিতে।... রাধাচরণ মিউজিক মাস্টার ছিলেন, উনি কম্পোজ করতে থাকতেন আর নির্দেশক ছিলেন মুস্তাফা হোসেন। তাঁকে কম্পোজ দেখাতে হতো। মুস্তাফা হোসেন সন্তুষ্ট হলে সেটা গ্রহণযোগ্য হতো।”

এই যে অবলীলায় বলে যাচ্ছেন গেল শতকের বিশের দশকের কাহিনী, একই সাক্ষাৎকারে পরে আমরা জানতে পারি সেই কথকের জন্ম ১৯৩১ সালে, তখন লায়ন থিয়েটার উঠে সিনেমা হল চালু হয়েছে। তথ্যভাণ্ডারি সাঈদ আহমদের কাছ থেকে নাটক সম্পর্কিত খোঁজ-খবর পেতে হলে প্রয়োজন ছিল ভিন্নতর পদ্ধতি ও প্রস্তুতির, সেটা ছাড়া তাঁর বক্তব্য অনেক ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিকতা হারিয়ে ফেলে, তথ্য তৈরি করে বিভ্রান্তি। মুদ্রিত মাধ্যমের ক্ষেত্রে যে-সুবিধা, সম্পাদক ফিরে আসতে পারেন পূর্বলিখিত ভাষ্যে, পরিমার্জনার সুযোগ নিতে পারেন, সাক্ষাৎকারদাতার নতুন অভিমত যোগ করতে পারেন, দিতে পারেন কোনো নোট- সেসব ছাড়া কথোপকথনের চাঁছাছোলা যে-ভাষ্য তা ক্যামেরায় যতোটা চলে কলমে ততোটা নয়।

তুলনায় অনেক সুগ্রন্থিত ও সুসংবদ্ধ আলাপচারিতা করেছেন রামেন্দু মজুমদর। এই আলাপনে মজলিশি ঢং নেই, ফলে উত্তর শুনতে হয়তো প্রশ্নকর্তাদের তেমন আকর্ষণীয় মনে হয় নি; কিন্তু পড়ে যাওয়ার জন্য এই টেক্সট বেশ তরতরে। তবে শেষ বিচারে আলাপন গুছিয়ে কথা বলার নয়, ফলে আলাপনের বক্তব্য সাদামাটা যা বড় অর্থে গ্রহণ করা চলে না, এ-নিয়ে চুলচেরা বিতর্ক অর্থহীন, কেননা আলাপনে কী বলা হলো সেটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ, কীভাবে বলা হলো সেটা ততো গুরুত্ব পায় না। লিখিত ভাষ্যের ক্ষেত্রে তেমন হওয়ার অবকাশ কম। তাছাড়া আলাপচারিতায় কী প্রশ্ন করা হলো সেটা যেমন গুরুত্বপূর্ণ তেমনি কী প্রশ্ন করা হলো না সেটাও গুরুত্বপূর্ণ, কেননা জিজ্ঞাসা যদি না থাকে তবে জবাবও থাকবে না। যেমন পাকিস্তান যুগে সাঈদ আহমদ লিখলেন অ্যাবসার্ড নাটক, প্রতীকের মধ্য দিয়ে বাস্তবের রূপায়ন ঘটানোর প্রয়াস ছিল এখানে। রামেন্দু মজুমদার নাট্যরূপ দিলেন ক্রীতদাসের হাসি উপন্যাসের, সেটাও প্রতীকী উপাখ্যান, মামুনুর রশীদ লিখলেন নাটক পশ্চিমের সিঁড়ি, পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকদের শোষণ-পীড়নের সেও এক প্রতীকী উপস্থাপন। পাকিস্তান আমলের নাট্যচর্চা নিয়ে জিজ্ঞাসাগুলো তৎকালীন পীড়নমূলক বাস্তবতা এবং নাট্যকার ও নাট্যামোদীদের আড়াল তৈরির প্রয়োজনীয়তার দিকে যায় নি বলে এই দিকটি অনালোচিত থেকে গেল। ঠিক তেমনিভাবে বলা যায় স্বাধীনতা-উত্তরকালে নতুন নাট্যান্দোলনে কলকাতাকেন্দ্রীক নাট্যধারার প্রভাব বিষয়ে। সেই সময়ে রামেন্দু মজুমদার কিংবা আলী যাকের যে কলকাতা যেতে পেরেছেন এবং নাটকের পরিচয় গ্রহণ করেছেন সেটা ছিল খুবই ব্যতিক্রমী ব্যাপার। ভারতের সঙ্গে সবরকম যোগাযোগ নিরুৎসাহিত করতে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ছিল তৎপর। ১৯৬৫ সালের ভারত-পাক যুদ্ধের পর ভারতীয় চলচ্চিত্র আমদানি নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়, ভারতীয় তথা বাংলা বই ও পত্র-পত্রিকা আমদানিও নিষিদ্ধ হয়। ফলে পশ্চিমবাংলার নাট্যচর্চা সম্পর্কে জানবার সুযোগ ছিল একান্ত সীমিত। এক্ষেত্রে সাংস্কৃতিক পরিচয় তুলে ধরতে বিশাল ভূমিকা পালন করে রেডিও। ঐ সময়ের স্পন্দন ও অভিঘাত বুঝতে রেডিও নাটকের প্রভাব অবশ্য যাচাই করে দেখতে হবে। এইসঙ্গে স্মর্তব্য, বেতার নাটকে তখন দাপটের সঙ্গে অভিনয় করছেন শম্ভু মিত্র, তৃপ্তি মিত্র, অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায় ও আরো অনেক প্রতিভাবান অভিনেতা-অভিনেত্রীরা। কেবল চিরায়ত নাটক নয়, আধুনিক নাট্যচিন্তার প্রতিফলন মিলছিল বেতার নাটকে এবং এক্ষেত্রে বাদল সরকারের এবং ইন্দ্রজিৎ নাটক আধুনিক জীবনবোধের অভিনব প্রকাশ ঘটিয়েছিল। কলকাতা গিয়ে নাটক দেখা ছিল স্বপ্নাতীত ব্যাপার, কিন্তু বেতারে নাটক শুনবার সুযোগ ছিল অবারিত। এবং ইন্দ্রজিৎ নাটক যে আকাশবাণীতে কতোবার সম্প্রচারিত হয়েছে তার ইয়ত্তা নেই। স্বাধীনতার পরপর নাটক করতে গিয়ে নাগরিক নাট্যসম্প্রদায় যে বেছে নিয়েছিল বাদল সরকার রচিত ‘বাকি ইতিহাস’ সেটা তাই ভিন্ন এক ধারাবাহিকতা প্রকাশ করেছিল।

ধারাবাহিকতা নানাভাবে কাজ করেছিল এবং ছয়টি আলাপনের মধ্য দিয়ে তার এমন এক উদ্ভাসন ঘটেছে যা আমরা ইতোপূর্বে বিশেষ দেখি নি। সেদিক দিয়ে বিচার করলে, ছয় আলাপনের টেক্সট পরোক্ষে এক বড় স্বীকৃতি বয়ে এনেছে এবং সেটা হলো স্বাধীনতা-পূর্ববর্তী কঠিন সময়ে প্রায় বিলুপ্ত নাট্যধারার সঙ্গে স্বাধীনতা-পরবর্তী নতুন নাট্যধারার সংযোগ। এই সেতুবন্ধনের প্রতীক হয়ে আছেন আলাপনের ছয় ব্যক্তিত্ব এবং খুব আশ্চর্যের সাথে আমরা লক্ষ্য করি তাঁরা প্রত্যেকে নাট্যবিহীন পাকিস্তানি জমানায় আশ্চর্যজনকভাবে খুঁজে নিয়েছিলেন নিজ নিজ এক নাট্যক্ষেত্র। ফলে স্বাধীন বাংলাদেশে নবীনদের হাতে নাটকের যে উন্মেষ, এই নবীনদের মধ্যে তাঁদেরকেও, বোধ করি সাঈদ আহমদ ব্যতীত, আমরা পঙতিভুক্ত করতে পারি এবং তাঁরা নিজেদের অতীত সম্পর্কে স্মৃতিচারণে বিস্মৃত এক নাট্যচর্চার পরিচয় তুলে ধরেছেন। এই পরিচয়ে আমরা কিছুটা বিস্তৃত পরিসরে জানতে পারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-কেন্দ্রীক ক্ষীণতোয়া নাট্যচর্চার কথা, মুনীর চৌধুরী, আসকার ইবনে শাইখ, নীলিমা ইব্রাহীম প্রমুখের কল্যাণে যা বেঁচে ছিল, ঝড়ের রাতে প্রদীপশিখার মতো। রামেন্দু মজুমদার সে-সম্পর্কে বলেছেন বিস্তারিত; কিন্তু ‘সৌখিন’ এই নাট্যচর্চায় যে-সব নাট্যপাগল মানুষের সমাবেশ, তাঁরা বাংলার স্পন্দমান সমাজের কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করছেন, এর বাইরে প্রান্তিক যে নাট্যচর্চা ছিল, কারা নাটক করতেন, কী নাটক করতে সেসবের কিছু পরিচয় পাই মামুনের রশীদের জবানিতে। আর ষাটের দশকের গোড়ার দিকে ড্রামা সার্কেল-এর স্বর্ণসময়ে নাসির উদ্দিন ইউসুফ নেহায়েতই বালক হিসেবে কাছ থেকে এইসব মানুষদের কর্মকাণ্ড দেখার সামান্য সুযোগ পেয়েছিলেন এবং সেটাও তৈরি করে আরেক ধারাবাহিকতা। এমনিভাবে আমরা ষাটের অন্ধকার যুগ পেরিয়ে আলোকোজ্জ্বল সত্তরে প্রবেশ করি, নিজেদের বুকের পাঁজর জ্বালিয়ে লক্ষ মানুষ জ্বেলেছিল যেই আলো, তখন স্বাধীনতার রক্তাক্ত ও তোলপাড় অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে পোড়-খাওয়া তরুণের দল পুনরাবিষ্কার করেছিল মঞ্চকে, নাটক হয়ে উঠলো যেমন খুশি লিখবার কবিতার খাতার মতো, প্রতীকের আড়াল রচনার আর কোনো দরকার রইলো না। তারপরেও ঢাকায় বা চট্টগ্রামে বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রীক নাট্যোৎসব ঘিরে নবনাটকের যে অসাধারণ জাগরণ আমরা দেখি সেখানে প্রতীকী উপস্থাপন বড় জায়গা করে নেয়, এবারে প্রতীক আসে বাধ্য হয়ে নয়, স্বাধীন বাছাইয়ের পক্ষপাত হিসেবে। এখানেও কী অজান্তে রয়ে যায় কোনো ধারাবাহিকতা, এমন এক প্রশ্ন নিয়ে ভাবতে ভালো লাগে বৈ কি।

সব মিলিয়ে বলা যায়, আলাপনে অনেক কিছু পাই নি বটে, তবে মিলেছেও তো কম নয়, অন্যভাবে যা মিলবার ছিল না, সে-কারণে এখানে চাইবো আরো অনেকের অংশগ্রহণ, ম. হমিদ কিংবা শিশির দত্ত বলতে পারবেন অনেক কথা, তেমনি তো রয়েছেন আরো অনেকে। চলতে থাকুক আলাপন, তবে কামনা করবো সতর্কতা এবং প্রস্তুতি, এর উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে।

মফিদুল হক ( This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it. ) : নাট্যজন। সৃজনশীল প্রকাশক