নাটকের লোকের ‘নাট্য-সমালোচনা’ ও নেতিবাচক মনোভাব

Written by হাসান শাহরিয়ার.

স ম্পা দ কী য়

কয়েক বছর ধরেই দেখছি, আগের তুলনায় কিছুটা বেশি প্রযোজনা মঞ্চে আসছে। কিংবা বলা যায়, আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে নতুন নাটকের নিয়মিত দেখা মিলছে বেশ। নাটকের পূর্ণতা তার দর্শনে। বহু বছর ধরেই এই দর্শনধারীদের অভাব মঞ্চনাটকে উপস্থিত। বর্তমানে সেই দর্শকখরা পুরোপুরি না কাটলেও কোনো কোনো নাটকে হলভর্তি দর্শক, রোজা আর ঈদের দিনে দর্শককে হলমুখি দেখতে পাওয়া, হারিয়ে যাওয়া মহিলা সমিতিতে আবারো দর্শক সমাগম- ইত্যাদি ঘটনাও নাট্যপাড়ায় ঘটতে দেখা যাচ্ছে। যোগাযোগ-অবান্ধব রাজধানীতে এ বড় কম পাওয়া নয়।

শওকতভাই-এর কথা

Written by আনু মুহাম্মদ.

কথাশিল্পী ও শিক্ষক শওকত আলী বা আমাদের শওকতভাই-এর সঙ্গে দেখা হবার অনেক আগেই তাঁর লেখালেখির সঙ্গে আমার পরিচয় হয়েছিল। সে পরিচয় ছিল একজন শক্তিশালী লেখকের সৃষ্টির সাথে যোগাযোগের আনন্দ ঘেরা। শওকতভাই-এর লেখা পড়ার সুযোগ হয় প্রথম সাপ্তাহিক ‘বিচিত্রা’য়। সম্ভবত প্রথম দেখাও হয় সেখানেই।

ভাস্কর ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী ও আমার ‘যমুনা’

Written by সেলিনা শেলী .

‘যমুনা’ কি ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীর সত্যি জীবন? আমার সরল উত্তর- ‘না’।
‘যমুনা’ প্রিয়ভাষিণীর জীবন কাহিনি নয়, ‘যমুনা’ প্রিয়ভাষিণীর জীবন সংগ্রাম দ্বারা অনুপ্রাণিত একখানা রচনা ও প্রযোজনা। তবে ‘যমুনা’ দর্শনে প্রিয়ভাষিণী আপনার সামনে মূর্ত হয়ে উঠবে- তাঁর অন্তরলোকের আনন্দ-বেদনা-জিজ্ঞাসা আপনাকে আলোড়িত করবে, আপনি প্রিয়ভাষিণীর বহিরাঙ্গন ও অন্দরমহল থেকে কোনোভাবেই বেরিয়ে আসতে পারবেন না। সেক্ষেত্রে দর্শকমনে প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক, নাটকে যা কিছু ঘটছে তার সবই প্রিয়ভাষিণীর জীবনে ঘটে যাওয়া ঘটনাসমূহ কিনা।

নৃপেন দা’: দুইবাংলার নাট্যসাঁকো

Written by অনন্ত হিরা.

নৃপেন্দ্র সাহা শুধু আমার কছে নয়, আমার মতোই সমভাবে ও সমহারে সারা বাংলাদেশের হাজার হাজার নাটকের মানুষ এবং তাদের পরিবারের ছোট-বড় সবার কাছেই ছিলেন সমান প্রিয়, সবারই তিনি ছিলেন ‘নৃপেন দা’। আমার বাসাতেই আমি এবং নূনা (নূনা আফরোজ) তাঁকে ‘নৃপেন দা’ ডাকতাম, আমাদের ছেলে দিগন্তও তাঁকে ‘নৃপেন দা’ ডাকতো। আমাদের বাসায় অবস্থানকালে নৃপেন দা’র যে দিকটা সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ করতো আমার ছেলেকে, তা হলো, রোজ সকালে উঠে তাঁর পাখিদের খাবার দেবার দায়বোধ। ঢাকার বনানী এলাকার দোকান-পাট তাঁর চেনা নাই, তবু বাসায় উঠেই তাঁর সবচেয়ে জরুরি এবং অবশ্যকর্তব্য ছিল পাখির জন্য সকালের খাবার কেনা। আহারে! এমন থিয়েটার দরদী মানুষ হয়তো আরো পাবো কিন্তু একই সাথে থিয়েটার ও প্রাণী দরদী মানুষ আর কি পাবো?

‘রিজওয়ান’: সংশয়ের সেতু বেয়ে নাট্য-অভিযাত্রা

Written by শুভাশিস সিনহা.

জাপানি লেখক হারুকি মুরাকামি বলেছিলেন, তোমার যদি প্রতিভা, তারুণ্য আর স্বপ্ন থাকে, তবে জেনে রেখো তোমার উড়বার দু’টো ডানা আছে।
সৈয়দ জামিল আহমেদের প্রতিভা, স্বপ্ন দু’টোই আছে, কিন্তু তারুণ্য? ষাটোর্ধ্ব একটা মানুষ তরুণ হয় নাকি?

কেনো হবে না!

রবীন্দ্রনাথ যে প্রায় সত্তরের কোঠায় গিয়ে বহুবিধ বিস্তারিত তার আপন শিল্প-আঙ্গিক থেকে উত্তুঙ্গে গিয়ে আঁকার তুলিকে প্রবল গতি দিলেন, প্রাচ্যের মানুষের মুখ আর রূপ এঁকে এঁকে পাশ্চাত্যের সামনে রূপের মধ্যে অরূপরতন খোঁজার সহজিয়া একটা মস্ত ক্যানভাস গড়ে দিলেন, সেটা কী করে!

আমাদের মঞ্চে ইতিহাসের মহানায়কেরা

Written by বিপ্লব বালা.

সেই সে গুহাযুগ থেকেই নাকি একেক সঙ্ঘ গোষ্ঠীতে ছিলেন একেক নেতা, নায়ক, বীরাঙ্গনা কী বীর। এ হয়তো মানবসমাজের আদি এক লক্ষণ। জনগোষ্ঠীর সর্বদা লাগে বুঝি নায়ক কোনো। যাকে নির্ভর করে বাঁচে মানুষ। এভাবে কল্পনায় তার দেবতাও হয়ে ওঠে বাঁচবারই ভরকেন্দ্র। সেই নায়ক তবে বুঝি একজন কোনো ব্যক্তিমাত্রই নয়, সম্মিলিত মানবগোষ্ঠীর যৌথশক্তিমত্তা বরং- সমাজের প্রয়োজনে যার সৃজন, নির্মাণ, আবির্ভাব।

সোলায়মানের ‘গোলাপজান’: নাটকে সংগীত পুনর্গঠন কিংবা পুনর্সৃজনের অন্তরাভিযান

Written by শুভাশিস সিনহা.

যেখানে অশ্রুর ভিতরকার অশ্রুটি ঝরিয়া পড়ে না এবং হাস্যের ভিতরকার হাস্যটি ধ্বনিয়া উঠে না, সেইখানেই সংগীতের প্রভাব। সেইখানে মানুষের হাসিকান্নার ভিতর দিয়া এমন একটা অসীমের মধ্যে চেতনা পরিব্যাপ্ত হয়, যেখানে আমাদের সুখদুঃখের সুরে সমস্ত গাছপালা নদীনির্ঝরের বাণী ব্যক্ত হইয়া উঠে এবং আমাদের হৃদয়ের তরঙ্গকে বিশ্বহৃদয়সমুদ্রেরই লীলা বলিয়া বুঝিতে পারে।
- রবীন্দ্রনাথ  ঠাকুর

Theatre is a form of knowledge; it should and can also be a means of transforming society. Theatre can help us build our future, rather than just waiting for it.
- Augusto Boal

৮ম থিয়েটার অলিম্পিকস: দর্শক খরা ও কোটি টাকার অপচয়ের উৎসব

Written by নূনা আফরোজ.

কোটি কোটি টাকার অপচয় শুনে জানি সবাই বিস্মিত হবে, কিন্তু আমি তাই বলবো। ভারতে এবার বসেছিল বিশ্ব থিয়েটারের সবচেয়ে বড় উৎসব থিয়েটার অলিম্পিকসের ৮ম আসর। ভারত, যেখানে নাটকের ঐতিহ্য হাজার বছরের। অবিভক্ত বাংলার প্রথম থিয়েটার শুরু হয় কলকাতায়। কালিদাস, ভবভূতি, শ্রী চৈতন্য থেকে শুরু করে বিনোদিনী, গিরিশ ঘোষ, শম্ভু মিত্র, উৎপল দত্ত, তৃপ্তি মিত্র- বাংলা থিয়েটারের বুকে একেকজন মহীরূহ, পরম পূজনীয়। সেই খ্যাতিমান নট-নটীদের দেশেই হয়ে গেল ৮ম থিয়েটার অলিম্পিকস।

৮ম থিয়েটার অলিম্পিকস: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির থিয়েটার

Written by সোনিয়া হাসান.

‘থিয়েটার অলিম্পিকস’, থিয়েটারে বিশ্বের সবচেয়ে বড় আয়োজন। ১৯৯৫ সালে গ্রিসে শুরু হওয়া এ আয়োজনে অংশগ্রহণের আকাঙ্ক্ষা থিয়েটার দলগুলোর জন্য তীর্থস্থান দর্শনের আকাঙ্ক্ষার মতো। ৮ম বারের মতো এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়ে গেল প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতে। বাংলাদেশ থেকে মনোনীত হলো ৯ টি নাটক (১ টি নৃত্যনাট্যসহ)। যখন জানতে পারলাম আমার দল সুবচনের নাটক ‘মহাজনের নাও’ ৮ম থিয়েটার অলিম্পিকসে অংশগ্রহণের জন্য নির্বাচিত হয়েছে, মনে হলো যেন বিশ্বকে হাতের মুঠোয় পেলাম, মনে হলো ২০ বছরের থিয়েটার জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন, সবচেয়ে বড় স্বীকৃতি। উত্তেজনায় আনন্দে চোখ ভিজে উঠল। সে আনন্দ বর্ণনাতীত, ভাষাহীন, আবেগময়।

মিনিমালিস্ট থিয়েটার: নাট্যে-পাওয়াদের নতুন পথ

Written by সাজেদুল আউয়াল.

গ্রুপ থিয়েটার কনসেপ্টটি প্রথমে দানা বাঁধে যুক্তরাষ্ট্রে। তারপর তা ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র। বাংলাদেশে প্রবলভাবে গ্রুপ থিয়েটার চর্চা শুরু হয় স্বাধীনতা অর্জনের পরপরই। যদিও পূর্ব পাকিস্তানপর্বেই কয়েকটি নাট্যদল গ্রুপ থিয়েটার কনসেপ্ট থেকে নাট্যচর্চা চালিয়ে গেছে। এ-প্রসঙ্গে ‘ড্রামা সার্কেল’ (১৯৫৬), নাগরিক নাট্য সম্প্রদায় (১৯৬৮)-এর নাম উল্লেখ করা যায়। ১৯৭২ সাল থেকে নতুনভাবে শুরু হওয়া গ্রুপ থিয়েটার চর্চা ১৯৯০-এর মধ্যেই নানাদিক থেকে বিকশিত হয়ে গ্রুপ থিয়েটার কনসেপ্টের চূড়া স্পর্শ করে। কনসেপ্ট একটি হাইপোথেটিক্যাল বিষয়। একে ধারণা, ভাবনা, প্রকল্প ইত্যাদি হিসেবে ভাবা যায়। এর প্রয়োগ হচ্ছে চর্চা বা আন্দোলন যা সম্পূর্ণভাবে প্রাকটিক্যাল-ইম্পেরিক্যাল একটি বিষয়। বলা বাহুল্য যে, গ্রুপ থিয়েটার কনসেপ্ট থেকেই বাংলাদেশে নাট্যচর্চা-আন্দোলন সংগঠিত হয়েছে।

বটতলা’র ‘ক্রাচের কর্নেল’ : লিবারাল মূহ্যমান সময়ে ইতিহাসের র‌্যাডিকাল পরিবেশনা

Written by শাহমান মৈশান.

প্রথম কৈফিয়ত

‘বটতলা’ ঢাকা শহরে দলবদ্ধভাবে সচল নাট্যচর্চার সর্বশেষ ফেনোমেনন। সেদিন এক বৃষ্টিহীন সন্ধ্যায় বেইলি রোডের মহিলা সমিতি মিলনায়তনের মঞ্চে, দলটির নতুন প্রোডাকশন ‘ক্রাচের কর্নেল’ দেখে মনে হয়েছে, ঘন্টা দুয়েক ইতিহাসের বটতলায় বিচরণ করেছি। বিচরণ করতে করতে এবং প্রযোজনার পরিবেশনা শেষে নিজের ডেরায় ফিরতে ফিরতে আমার অসংলগ্ন ভাবনাগুলোর উদগার ঠেকিয়ে রাখতে না পারার অপারগতা থেকে এই লেখা-

সেলিম আল দীনের ‘স্বর্ণবোয়াল’: প্রসঙ্গ প্রাচ্য দর্শন

Written by লাবণ্য মণ্ডল.

বাংলাদেশের একজন নাট্যকার যিনি নাটককে কেবল নাটক হিসেবেই নয়, এক চিরায়ত ও পূর্ণাঙ্গ শিল্পমাধ্যম হিসেবে দেখেছেন; তিনি নাট্যকার সেলিম আল দীন (১৯৪৯-২০০৮)। সেলিম আল দীন নাট্যইতিহাসকে কালো গহ্বর থেকে সর্বসমক্ষে আনতে সচেষ্ট হন। বাংলার ঐতিহ্যবাহী নাট্যধারাটির পুনঃপত্তনে প্রয়াসী হন তিনি। তবে প্রাচীনত্বে ফিরে যাওয়া নয়, মূল ধারাটিকে আধুনিককালে সংস্থাপন ও এর মাধ্যমে স্বতন্ত্র নাট্যনির্মাণ তাঁর অভিষ্ট। তিনি বলেন: ‘লোকায়ত সংস্কৃতির মধ্যে ক্ষয়ে ধুয়ে গিয়ে যে সকল শিল্প আঙ্গিক এখনো বিদ্যমান, তার শক্তি সম্পর্কে আমাদের সন্দেহ থাকা উচিত নয়। এটাও একটা অন্বেষণ, ইতিহাসের খোঁজ।’  এই সন্ধানে ব্যাপৃত নাট্যকার সেলিম আল দীন। বর্ণনাত্মক ঢঙে বিশাল প্রেক্ষাপটে নাট্যকথন, সে উপযোগী চরিত্র ও আখ্যান নির্মাণ এবং দেশজ তত্ত্ব-দর্শন এর সমাবেশ ও সমন্বয় সাধিত হয়েছে সেলিম আল দীনের নাটকে।

জবর আজব ভালোবাসা

Written by সাইফ সুমন.

[আন্তন চেকভের ‘দ্য বিয়ার’ অবলম্বনে]
বিধবা যুবতী নারী প্রভা। বেশ কিছুদিন হয় প্রভার স্বামী গত হয়েছেন। সেই শোকে মগ্ন এখনো সে। প্রায়ই স্বামীর একটা ছবির সামনে সে বিলাপ করে গান করে। তার বাড়ির হাউজ ম্যানেজার সবুর ঘরের কাজ করছে- আর কানে মোবাইলের হেডফোন দিয়ে এফএম রেডিও শুনছে। সবুর প্রভার উপর খুবই বিরক্ত।

৮ম থিয়েটার অলিম্পিকস: অভিজ্ঞতার আলোয়

Written by মোহাম্মদ বারী.

বিশ্বের সবচেয়ে বড় নাট্য আয়োজন থিয়েটার অলিম্পিকস। যদিও এ আয়োজনের ইতিহাস খুব দীর্ঘ নয়। মাত্র ২৫ বছর আগে ১৯৯৩ সালে থিয়েটারের সূতিকাগার গ্রীসের ডেলফিতে ‘থিয়েটার অলিম্পিকস’ কমিটি গঠনের মাধ্যমে এ আয়োজনের যাত্রা সূচিত হয়। গ্রীসের নাট্যনির্দেশক থিওডোরোস থিয়েটার অলিম্পিকসের প্রধান উদ্যোক্তা। ১৯৯৪ সালের ১৮ জুন থিয়েটার অলিম্পিকসের প্রথম কমিটি গঠন করা হয়। বিশ্বের প্রখ্যাত ৮ জন নাট্যনির্দেশককে নিয়ে গঠিত হয় এই কমিটি। এঁরা হলেন- গ্রীসের থিওডোরোসটারজোপোলাস, স্পেনের নুরিয়া এসপার্ট, ব্রাজিলের অটোনাস ফিলহো, ইংল্যান্ডের টনি হ্যারিসন, রাশিয়ার যবি লাইয়ুবিমভ, জার্মানির হেইনার মিলার, জাপানের তাদাসি সুজুকি এবং আমেরিকার রবার্ট উইলসন।

৮ম থিয়েটার অলিম্পিকস: অভিজ্ঞতা ও ‘আমাদের’ আন্তর্জাতিক মঞ্চায়নের অভিপ্রিয়তা

Written by ইউসুফ হাসান অর্ক.

গত তিন দশকে বাংলাদেশের নাট্যচর্চার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা ও খানিকটা এই বিষয়ক প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষালাভের সুবাদেই হয়তোবা অগ্রজ হাসান শাহরিয়ার আজকের এ রকম একটি লেখা লিখবার অনুরোধ আমাকে করেছেন। আমি আবার অনুরোধের সেই ‘ঢেঁকি’টি গিলেছিও। আরো বলে নিতে চাই, লেখাটি বলতে গেলে এক ধরনের আত্মসমালোচনা, কেননা যে বিষয়টি আজকের আলোচনায় অবতারণা হবে, সেই বিষয়ে নিজের দায় এড়ানোটাও পক্ষপাতদুষ্ট হবে। স্পষ্ট করে বললে, আমরা যারা এখনো বাংলাদেশে নাট্যচর্চার সাথে কোনো-না-কোনোভাবে জড়িত তাদের ভাবনা ও উদ্যোগ নিয়ে পুনর্বিবেচনা নিয়েই আজকের আলোচনার অবতারণা।

রাজশাহীর নাট্যচর্চা ও বর্তমান হালচাল

Written by আরিফ হায়দার.

রাজশাহীর নাট্যচর্চা নিয়ে এখানকার সংস্কৃতিমনা মানুষেরা অবশ্যই গর্ব করতে পারে। বর্তমানের নাট্যাঙ্গনের কথা বলতে গেলে অতীতে একবার ঘুরে আসতেই হয়। অতীত সবসময় বর্তমানকে শক্তি জোগায়, আর ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখায়। ভারতবর্ষের নাট্যচর্চা এবং তৎপরবর্তী পাকিস্তান পর্বের নাট্যচর্চার পর স্বাধীন বাংলাদেশের নাট্যচর্চা রাজশাহীর সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অন্য এক রূপ ধারণ করে। যাঁরা এই দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন তাঁদের মধ্যে অনেকেই আজ বেঁচে নেই। কিন্তু বেঁচে আছে তাঁদের সৃষ্টি।